🌍 পৃথিবী - সম্পূর্ণ নোটস
SSC | PSC | RAIL | POLICE পরীক্ষার জন্য বিস্তারিত অধ্যয়ন সামগ্রী
📐 আকার ও আকৃতি
🔄 গতি
☀️ দিন-রাত্রি
🍂 ঋতু
⚖️ বিষুব
⏰ সময় অঞ্চল
📐 পৃথিবীর আকার ও আকৃতি
মূল ধারণা: পৃথিবী একটি "Geoid" (জিওয়েড) বা "Triaxial Ellipsoid" - অর্থাৎ এটি একটি নিখুঁত গোলক নয়। মেরুতে চ্যাপ্টা এবং বিষুবীয়তে ফোলা।
| পরিমাপ | মান | বিস্তারিত |
|---|---|---|
| বিষুবীয় ব্যাসার্ধ | ৬,৩৭৮ কিমি | সবচেয়ে বড় ব্যাসার্ধ (পৃথিবী "ফোলা") |
| মেরু ব্যাসার্ধ | ৬,৩৫৭ কিমি | সবচেয়ে ছোট ব্যাসার্ধ |
| বিষুবীয় পরিধি | ৪০,০৭৫ কিমি | সর্বাধিক পরিধি |
| মেরু পরিধি | ৪০,০০৮ কিমি | সর্বনিম্ন পরিধি |
| ক্ষেত্রফল | ৫১০ মিলিয়ন বর্গকিমি | ৩৬% স্থলভাগ, ৬৪% জলভাগ |
| আয়তন | ১.০৮৩ × ১০¹² ঘনকিমি | সূর্যের আয়তনের ১/১৩ লক্ষাংশ |
| ভর | ৫.৯৭২ × ১০²⁴ কেজি | সূর্যের ভরের ১/৩,৩২,৯৪৬ |
| গড় ঘনত্ব | ৫.৫১৭ গ্রাম/সেমি³ | সৌরজগতের সবচেয়ে ঘন গ্রহ |
🔑 Geoid: "Geo" = পৃথিবী, "eidos" = আকৃতি। সমুদ্রপৃষ্ঠের আদর্শ আকৃতিকে Geoid বলে।
🔑 পৃথিবীর বয়স: প্রায় ৪.৫৪ বিলিয়ন বছর (৪৫ কোটি ৪০ লক্ষ বছর)
🔑 মেরুতে চ্যাপ্টা ও বিষুবীয়তে ফোলার কারণ - পৃথিবীর আপন অক্ষের উপর আবর্তন (Rotation)।
🔄 পৃথিবীর গতি (আবর্তন ও পরিক্রমণ)
পৃথিবীর দুটি প্রধান গতি: আবর্তন (Rotation) এবং পরিক্রমণ (Revolution)
| বৈশিষ্ট্য | আবর্তন (Rotation) | পরিক্রমণ (Revolution) |
|---|---|---|
| অর্থ | নিজের অক্ষের উপর ঘোরা | সূর্যের চারপাশে ঘোরা |
| অক্ষ | নিজের কাল্পনিক অক্ষ (Polar Axis) | কক্ষপথ (Orbit) |
| দিক | পশ্চিম থেকে পূর্ব (Anti-clockwise) | পশ্চিম থেকে পূর্ব (Anti-clockwise) |
| সময়কাল | ২৪ ঘণ্টা (১ দিন) | ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট (১ বছর) |
| বেগ | বিষুবীয় বেগ: ১,৬৬৭ কিমি/ঘণ্টা | গড় বেগ: ১,০৭,০০০ কিমি/ঘণ্টা |
| ফলাফল | দিন-রাত্রি, Coriolis বল, জোয়ার-ভাটা | ঋতু পরিবর্তন, দিনের দৈর্ঘ্য পরিবর্তন |
🧮 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা:
• বিষুবীয় আবর্তন বেগ = ১,৬৬৭ কিমি/ঘণ্টা (≈ ০.৪৬৫ কিমি/সে)
• মেরু আবর্তন বেগ = ০ কিমি/ঘণ্টা
• পরিক্রমণ বেগ = ১,০৭,০০০ কিমি/ঘণ্টা (≈ ৩০ কিমি/সে)
• পরিক্রমণ কক্ষপথ = ৯৩.৯ মিলিয়ন মাইল (≈ ১৫ কোটি কিমি)
• অক্ষের ঢাল = ৬৬.৫° (কক্ষপথের উপরিভাগের সাথে)
• অক্ষের ঢাল = ২৩.৫° (কক্ষপথের তলের সাথে)
• মেরু আবর্তন বেগ = ০ কিমি/ঘণ্টা
• পরিক্রমণ বেগ = ১,০৭,০০০ কিমি/ঘণ্টা (≈ ৩০ কিমি/সে)
• পরিক্রমণ কক্ষপথ = ৯৩.৯ মিলিয়ন মাইল (≈ ১৫ কোটি কিমি)
• অক্ষের ঢাল = ৬৬.৫° (কক্ষপথের উপরিভাগের সাথে)
• অক্ষের ঢাল = ২৩.৫° (কক্ষপথের তলের সাথে)
🔑 অক্ষের ঢাল (Axial Tilt): পৃথিবীর আপন অক্ষ তার কক্ষপথের উপরিভাগের সাথে ৬৬.৫° কোণ তৈরি করে। অথবা, কক্ষপথের তলের সাথে ২৩.৫° কোণ তৈরি করে।
🔑 Coriolis বল: পৃথিবীর আবর্তনের কারণে উত্তর গোলার্ধে বাতাস/জলধারা ডানদিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বামদিকে বাঁক নেয়।
🔑 অধিবর্ষ (Leap Year): প্রতি ৪ বছরে ১টি অধিবর্ষ। কারণ - ১ বছর = ৩৬৫.২৫ দিন। অতিরিক্ত ০.২৫ দিন × ৪ = ১ দিন।
☀️ দিন-রাত্রি
কারণ: পৃথিবীর আবর্তন (Rotation) এবং পৃথিবী অপারদর্শী (Opaque) হওয়া।
| প্রকার | ব্যাখ্যা | সময়কাল |
|---|---|---|
| সৌর দিন (Solar Day) | সূর্য একই মধ্যরেখায় দুইবার উদিত হওয়ার মধ্যে সময় | ২৪ ঘণ্টা |
| নাক্ষত্রিক দিন (Sidereal Day) | নক্ষত্রের সাপেক্ষে পৃথিবীর একবার আবর্তন | ২৩ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড |
| সৌর বছর (Solar Year) | সূর্যের সাপেক্ষে একবার পরিক্রমণ | ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড |
| নাক্ষত্রিক বছর (Sidereal Year) | নক্ষত্রের সাপেক্ষে একবার পরিক্রমণ | ৩৬৫ দিন ৬ ঘণ্টা ৯ মিনিট ১০ সেকেন্ড |
🔑 সৌর দিন ও নাক্ষত্রিক দিনের পার্থক্য: ৩ মিনিট ৫৬ সেকেন্ড। কারণ - পৃথিবী পরিক্রমণের সময় আবর্তনও করে, তাই সূর্যকে আবার সামনে আনতে অতিরিক্ত সময় লাগে।
🔑 নিউমুন (Amavasya): চাঁদ সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে থাকে। চাঁদের অন্ধকার পিঠ পৃথিবীর দিকে থাকে।
🔑 পূর্ণিমা (Purnima): পৃথিবী সূর্য ও চাঁদের মাঝখানে থাকে। চাঁদের আলোকিত পিঠ পৃথিবীর দিকে থাকে।
🔑 সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত: পৃথিবীর পূর্ব দিকে সূর্যোদয় এবং পশ্চিম দিকে সূর্যাস্ত হয়। এর কারণ - পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্বে আবর্তিত হয়।
🍂 ঋতু পরিবর্তন
মূল কারণ: পৃথিবীর অক্ষের ঢাল ২৩.৫° এবং পরিক্রমণ। এই ঢালের কারণে সূর্যের রশ্মি বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন কোণে পড়ে।
| ঋতু | উত্তর গোলার্ধ | দক্ষিণ গোলার্ধ | বিশেষ ঘটনা |
|---|---|---|---|
| গ্রীষ্ম | ২১ মার্চ - ২১ জুন | ২৩ সেপ্টেম্বর - ২২ ডিসেম্বর | সূর্য উত্তরায়ণে, দিন বড় |
| বর্ষা | ২১ জুন - ২৩ সেপ্টেম্বর | ২২ ডিসেম্বর - ২১ মার্চ | বিষুবরেখায় সূর্য লম্বভাবে |
| শরৎ | ২৩ সেপ্টেম্বর - ২২ ডিসেম্বর | ২১ মার্চ - ২১ জুন | সূর্য দক্ষিণায়ণে |
| শীত | ২২ ডিসেম্বর - ২১ মার্চ | ২১ জুন - ২৩ সেপ্টেম্বর | দিন ছোট, রাত বড় |
📅 গুরুত্বপূর্ণ তারিখ ও ঘটনা:
• ২১ মার্চ → বসন্ত বিষুব (Vernal Equinox) → সারা পৃথিবীতে দিন = রাত
• ২১ জুন → গ্রীষ্ম সংক্রান্তি (Summer Solstice) → উত্তর গোলার্ধে দীর্ঘতম দিন
• ২৩ সেপ্টেম্বর → শরৎ বিষুব (Autumnal Equinox) → সারা পৃথিবীতে দিন = রাত
• ২২ ডিসেম্বর → শীত সংক্রান্তি (Winter Solstice) → উত্তর গোলার্ধে সংক্ষিপ্ততম দিন
• ২১ জুন → গ্রীষ্ম সংক্রান্তি (Summer Solstice) → উত্তর গোলার্ধে দীর্ঘতম দিন
• ২৩ সেপ্টেম্বর → শরৎ বিষুব (Autumnal Equinox) → সারা পৃথিবীতে দিন = রাত
• ২২ ডিসেম্বর → শীত সংক্রান্তি (Winter Solstice) → উত্তর গোলার্ধে সংক্ষিপ্ততম দিন
🔑 কেন ঋতু পরিবর্তন হয়? (১) অক্ষের ঢাল ২৩.৫° (২) পরিক্রমণ। যদি ঢাল ০° হত, তাহলে কোনো ঋতু পরিবর্তন হত না।
🔑 উত্তরায়ণ (Uttarayan): ২২ ডিসেম্বর থেকে ২১ জুন - সূর্য উত্তর দিকে যায়। ভারতে এই সময় শীতকাল।
🔑 দক্ষিণায়ণ (Dakshinayan): ২১ জুন থেকে ২২ ডিসেম্বর - সূর্য দক্ষিণ দিকে যায়। ভারতে এই সময় বর্ষাকাল।
🔑 সংক্রান্তি (Solstice): সূর্য কর্কটক্রান্তি বা মকরক্রান্তিতে লম্বভাবে পড়ে। এই দিন দিন বা রাত সবচেয়ে বড় হয়।
⚖️ বিষুব ও অয়ন
বিষুব (Equinox): "Equi" = সমান, "nox" = রাত। সারা পৃথিবীতে দিন ও রাত সমান (১২ ঘণ্টা করে) হয়।
| ঘটনা | তারিখ | ব্যাখ্যা | গুরুত্ব |
|---|---|---|---|
| বসন্ত বিষুব (Vernal Equinox) | ২০/২১ মার্চ | সূর্য বিষুবরেখার উপর লম্বভাবে পড়ে | উত্তর গোলার্ধে বসন্ত শুরু |
| গ্রীষ্ম সংক্রান্তি (Summer Solstice) | ২০/২১ জুন | সূর্য কর্কটক্রান্তির উপর লম্বভাবে পড়ে (২৩.৫°N) | উত্তর গোলার্ধে দীর্ঘতম দিন |
| শরৎ বিষুব (Autumnal Equinox) | ২২/২৩ সেপ্টেম্বর | সূর্য বিষুবরেখার উপর লম্বভাবে পড়ে | উত্তর গোলার্ধে শরৎ শুরু |
| শীত সংক্রান্তি (Winter Solstice) | ২১/২২ ডিসেম্বর | সূর্য মকরক্রান্তির উপর লম্বভাবে পড়ে (২৩.৫°S) | উত্তর গোলার্ধে সংক্ষিপ্ততম দিন |
🌐 গুরুত্বপূর্ণ অক্ষাংশ:
• বিষুবরেখা (Equator) = ০°
• কর্কটক্রান্তি (Tropic of Cancer) = ২৩.৫° উত্তর
• মকরক্রান্তি (Tropic of Capricorn) = ২৩.৫° দক্ষিণ
• আর্কটিক বৃত্ত = ৬৬.৫° উত্তর
• অ্যান্টার্কটিক বৃত্ত = ৬৬.৫° দক্ষিণ
• উত্তর মেরু = ৯০° উত্তর
• দক্ষিণ মেরু = ৯০° দক্ষিণ
• কর্কটক্রান্তি (Tropic of Cancer) = ২৩.৫° উত্তর
• মকরক্রান্তি (Tropic of Capricorn) = ২৩.৫° দক্ষিণ
• আর্কটিক বৃত্ত = ৬৬.৫° উত্তর
• অ্যান্টার্কটিক বৃত্ত = ৬৬.৫° দক্ষিণ
• উত্তর মেরু = ৯০° উত্তর
• দক্ষিণ মেরু = ৯০° দক্ষিণ
🔑 কেন ২৩.৫°? পৃথিবীর অক্ষ তার কক্ষপথের তলের সাথে ২৩.৫° কোণ তৈরি করে। এর ফলে সূর্য কেবল ২৩.৫°N থেকে ২৩.৫°S-এর মধ্যে লম্বভাবে পড়তে পারে।
🔑 রাত্রি-দিনের সমানতা: বিষুবের দিন সারা পৃথিবীতে দিন-রাত ১২ ঘণ্টা করে। কারণ - সূর্য বিষুবরেখার উপর লম্বভাবে পড়ে।
🔑 মেরুতে রাত্রি/দিন: গ্রীষ্ম সংক্রান্তিতে উত্তর মেরুতে ৬ মাস দিন, শীত সংক্রান্তিতে ৬ মাস রাত্রি হয়।
🔑 ভারতের অবস্থান: ভারত কর্কটক্রান্তির (২৩.৫°N) ও বিষুবরেখার মধ্যে অবস্থিত। তাই ভারতে সূর্য দুইবার লম্বভাবে পড়ে (২১ মে ও ২১ জুলাই)।
⏰ সময় অঞ্চল
সময় অঞ্চল: পৃথিবীকে ৩৬০° দীর্ঘাংশে ভাগ করা হয়েছে। প্রতি ১৫° দীর্ঘাংশ = ১ ঘণ্টা সময় পার্থক্য।
| ধারণা | ব্যাখ্যা |
|---|---|
| স্থানীয় সময় (Local Time) | প্রতিটি দীর্ঘাংশের নিজস্ব সময়। সূর্যোদয়ের উপর নির্ভরশীল। |
| মানক সময় (Standard Time) | প্রতিটি দেশের নির্ধারিত একটি সময়। সাধারণত মধ্য দীর্ঘাংশের উপর ভিত্তি করে। |
| GMT (Greenwich Mean Time) | ০° দীর্ঘাংশের সময়। ইংল্যান্ডের গ্রিনিচ শহরের উপর দিয়ে যাওয়া দীর্ঘাংশ। |
| UTC (Coordinated Universal Time) | GMT-এর আধুনিক রূপ। পারমাণবিক ঘড়ির উপর ভিত্তি করে। |
| IST (Indian Standard Time) | ভারতের মানক সময় = GMT+5:30। ৮২.৫°E দীর্ঘাংশের উপর ভিত্তি করে। |
| IDL (International Date Line) | ১৮০° দীর্ঘাংশ। এখানে দিন পরিবর্তন হয়। পশ্চিমে গেলে দিন বাড়ে, পূর্বে গেলে দিন কমে। |
🧮 গুরুত্বপূর্ণ হিসাব:
• ১° দীর্ঘাংশ = ৪ মিনিট সময় পার্থক্য
• ১৫° দীর্ঘাংশ = ১ ঘণ্টা সময় পার্থক্য
• ভারতের IST = ৮২.৫°E = GMT + (৮২.৫ × ৪) = GMT + ৫ ঘণ্টা ৩০ মিনিট
• পৃথিবীতে মোট ২৪টি সময় অঞ্চল
• IDL-এর কিছু অংশ বাঁকানো আছে (ফিজি, কিরিবাতি, রাশিয়া ইত্যাদির জন্য)
• ১৫° দীর্ঘাংশ = ১ ঘণ্টা সময় পার্থক্য
• ভারতের IST = ৮২.৫°E = GMT + (৮২.৫ × ৪) = GMT + ৫ ঘণ্টা ৩০ মিনিট
• পৃথিবীতে মোট ২৪টি সময় অঞ্চল
• IDL-এর কিছু অংশ বাঁকানো আছে (ফিজি, কিরিবাতি, রাশিয়া ইত্যাদির জন্য)
🔑 ভারতের সময় অঞ্চল: ভারতে কেবল একটি সময় অঞ্চল (IST)। ৮২.৫°E দীর্ঘাংশ মিরজাপুর (উত্তরপ্রদেশ) ও এলাহাবাদের মধ্য দিয়ে যায়।
🔑 IDL পার হলে: পশ্চিম দিকে (America → Asia) গেলে দিন বাড়ে, পূর্ব দিকে (Asia → America) গেলে দিন কমে।
🔑 সবচেয়ে বড় সময় পার্থক্য: কিরিবাতি (+১৪) এবং বেকার দ্বীপ (-১২) - মোট ২৬ ঘণ্টা পার্থক্য!
🔑 ভারতে সূর্যোদয়ের পার্থক্য: গুজরাত ও অরুণাচল প্রদেশের মধ্যে প্রায় ২ ঘণ্টা সূর্যোদয়ের পার্থক্য। কিন্তু সময় একই (IST)।
📝 MCQ প্র্যাক্টিস (পরীক্ষার জন্য)
১. পৃথিবীর বিষুবীয় ব্যাসার্ধ কত?
✓ সঠিক উত্তর: (গ) ৬,৩৭৮ কিমি
২. পৃথিবীর আপন অক্ষের উপর ঢাল কত ডিগ্রি?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) ২৩.৫° (কক্ষপথের তলের সাথে)
৩. কোন দিন উত্তর গোলার্ধে দীর্ঘতম দিন হয়?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) ২১ জুন (গ্রীষ্ম সংক্রান্তি)
৪. ভারতের মানক সময় (IST) কোন দীর্ঘাংশের উপর ভিত্তি করে?
✓ সঠিক উত্তর: (গ) ৮২.৫°E
৫. পৃথিবীর আবর্তনের কারণে কোনটি ঘটে?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) দিন-রাত্রি
৬. International Date Line কোন দীর্ঘাংশের উপর দিয়ে যায়?
✓ সঠিক উত্তর: (গ) ১৮০°
৭. কোন দিন সারা পৃথিবীতে দিন ও রাত সমান হয়?
✓ সঠিক উত্তর: (গ) ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর (বিষুব)
৮. Coriolis বলের কারণে উত্তর গোলার্ধে বাতাস কোন দিকে বাঁক নেয়?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) ডানদিকে (দক্ষিণ গোলার্ধে বামদিকে)
৯. পৃথিবীর পরিক্রমণের গড় বেগ কত?
✓ সঠিক উত্তর: (গ) ১,০৭,০০০ কিমি/ঘণ্টা (≈ ৩০ কিমি/সে)
১০. ভারতে সূর্য কতবার লম্বভাবে পড়ে?
✓ সঠিক উত্তর: (গ) ২ (২১ মে ও ২১ জুলাই - কারণ ভারত কর্কটক্রান্তির ওপর দিয়ে যায়)
🎓 পরীক্ষায় সাফল্য কামনা করছি! | SSC | PSC | RAIL | POLICE
নোটস তৈরি: ২০২৬
0 Comments
Thanks you ❤️