প্রশ্ন:- মেহেরগড় সভ্যতার একজন
আবিষ্কারকের নাম লেখো ?
উত্তর:- বিখ্যাত ফরাসি
প্রত্নতত্ত্ববিদ জেন ফ্রাঁসোয়া জারেজ
মেহেরগড় সভ্যতা আবিষ্কার করেন ।
প্রশ্ন:- মেহেরগড় সভ্যতা কবে
আবিষ্কৃত হয় ?
উত্তর:- মেহেরগড় সভ্যতা ১৯৭৪ সালে
আবিষ্কৃত হয় ।
প্রশ্ন:- মেহেরগড় সভ্যতা কোথায়
অবস্থিত ?
উত্তর:- বর্তমান পাকিস্তানের সিন্ধু
প্রদেশে ও বেলুচিস্তানের মধ্যবর্তী
স্থানে – অর্থাৎ বোলান গিরিপথের কাছে
ও কোয়েটা শহর থেকে ১৫০ কি.মি. দূরে
মেহেরগড় সভ্যতা অবস্থিত ছিল ।
প্রশ্ন:- মেহেরগড় সভ্যতাটি ভারতের
কোন প্রাক ঐতিহাসিক যুগের সভ্যতার
নিদর্শন ?
উত্তর:- মেহেরগড় সভ্যতা ভারতের নতুন
প্রস্তর যুগের সমসাময়িক যুগের সভ্যতার
নিদর্শন ।
প্রশ্ন:- ভারতীয় সভ্যতা কত প্রাচীন ?
উত্তর:- ভারতীয় সভ্যতা প্রায় ৮৫০০
বছরের প্রাচীন ।
প্রশ্ন:- ভারতের কোন কোন স্থানে
প্রাচীন প্রস্তরযুগের নিদর্শন আবিষ্কৃত
হয়েছে ?
উত্তর:- ভারতের পশ্চিম পাঞ্জাব ও
দক্ষিণ ভারতের তামিলনাড়ু অঞ্চলে
প্রাচীন প্রস্তরযুগের নিদর্শন আবিষ্কৃত
হয়েছে ।
প্রশ্ন:- ভারতের সবচেয়ে প্রাচীন
সভ্যতার নাম কী ?
উত্তর:- ভারতের সবচেয়ে প্রাচীন
সভ্যতার নাম মেহেরগড় সভ্যতা ।
প্রশ্ন:- মেহেরগড় সভ্যতা কোন যুগের
সভ্যতা ?
উত্তর:- মেহেরগড় সভ্যতা নতুন প্রস্তর
যুগের সভ্যতা ।
প্রশ্ন:- হরপ্পা সভ্যতা ভারতের কোন
প্রাক ঐতিহাসিক যুগের সভ্যতার
নিদর্শন ?
উত্তর:- হরপ্পা সভ্যতা ভারতের
তাম্রপ্রস্তর যুগের সমসাময়িক যুগের
সভ্যতার নিদর্শন ।
প্রশ্ন:- মেহেরগড় সভ্যতা কত দূর
বিস্তৃত ছিল ?
উত্তর:- বর্তমান পাকিস্তানের
অন্তর্গত বালুচিস্তানের জোব নদী
থেকে পশ্চিম ভারতের সিন্ধু নদ পর্যন্ত
মেহেরগড় সভ্যতা বিস্তৃত ছিল ।
প্রশ্ন:- পশুপালনের ওপর ভিত্তি করে
ভারতবর্ষের কোন সভ্যতা গড়ে
উঠেছিল ?
উত্তর:- পশুপালনের ওপর ভিত্তি করে
ভারতবর্ষের মেহেরগড় সভ্যতা গড়ে
উঠেছিল ।
প্রশ্ন:- মেহেরগড় সভ্যতার প্রকৃতি কী
ধরনের ছিল ?
উত্তর:- মেহেরগড় সভ্যতা ছিল
কৃষিকেন্দ্রিক ।
প্রশ্ন:- বৈদিক সভ্যতা ভারতের কোন
প্রাক ঐতিহাসিক যুগের সভ্যতার
নিদর্শন ?
উত্তর:- বৈদিক সভ্যতা ছিল লৌহযুগের
সমসাময়িক যুগের সভ্যতার নিদর্শন ।
প্রশ্ন:- মেহেরগড় সভ্যতার ৫টি
গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রের নাম করো ?
উত্তর:- মেহেরগড় সভ্যতার ৫টি
গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রের নাম হল (ক)
মেহেরগড় (খ) কিলে গুল মহম্মদ (গ)
কোটদিজি (ঘ) গুমলা (ঙ) মুন্ডিগাক ।
প্রশ্ন:- সিন্ধু সভ্যতার নিদর্শন কে
আবিস্কার করেন ?
উত্তর:- বাঙালি প্রত্নতত্ত্ববিদ
রাখালদাস বন্দোপাধ্যায় সিন্ধু সভ্যতা
নিদর্শন আবিস্কার করেন ।
প্রশ্ন:- হরপ্পা সভ্যতার যন্ত্রপাতি
কোন ধাতুতে নির্মিত ?
উত্তর:- হরপ্পা সভ্যতার যন্ত্রপাতি
তামা ও টিন -এর সংমিশ্রণে প্রস্তুত
ব্রোঞ্জ ধাতু দিয়ে নির্মিত ।
প্রশ্ন:- হরপ্পা সভ্যতা কী ধরনের
সভ্যতা ?
উত্তর:- হরপ্পা সভ্যতা ছিল একটি নগর
কেন্দ্রিক সভ্যতা ।
প্রশ্ন:- হরপ্পা সভ্যতার মূল ভিত্তি কী
ছিল ?
উত্তর:- প্রকৃতিগত ভাবে হরপ্পা সভ্যতা
একটি নগর কেন্দ্রিক সভ্যতা হলেও
হরপ্পা সভ্যতার মূল ভিত্তি ছিল কৃষি ও
পশুপালন ।
প্রশ্ন:- হরপ্পা সভ্যতার মানুষেরা কোন
পশুর ব্যবহার জানত না ?
উত্তর:- হরপ্পা সভ্যতার মানুষেরা
ঘোড়ার ব্যবহার জানত না ।
প্রশ্ন:- হরপ্পা সভ্যতা কত দিন আগে
গড়ে উঠেছিল ?
উত্তর:- খ্রিস্টপূর্ব প্রায় তিন হাজার
বৎসর আগে হরপ্পা সভ্যতা গড়ে উঠেছিল
।
প্রশ্ন:- ভারতবর্ষে প্রাক আর্যযুগের
প্রাচীনতম বন্দরের নিদর্শন কোথায়
পাওয়া গেছে ?
উত্তর:- গুজরাটের লোথাল-এ প্রাক
আর্যযুগের প্রাচীনতম বন্দরের নিদর্শন
কোথায় পাওয়া গেছে ।
প্রশ্ন:- ভারতের প্রথম নগরায়নের চিহ্ন
কোন অঞ্চলের ধ্বংসাবশেষ থেকে
পাওয়া গেছে ?
উত্তর:- হরপ্পা-মহেঞ্জোদারো
অঞ্চলের ধ্বংসাবশেষ থেকে ভারতের
প্রথম নগরায়নের চিহ্ন পাওয়া গেছে ।
প্রশ্ন:- ভারতের প্রথম নগরায়নের যুগের
একটি শহরের নাম লেখো ?
উত্তর:- ভারতের প্রথম নগরায়নের যুগের
একটি শহরের নাম মহেঞ্জোদারো ।
প্রশ্ন:- হরপ্পা সভ্যতা কবে আবিস্কৃত
হয় ?
উত্তর:- হরপ্পা সভ্যতা ১৯২৪ সালে
আবিস্কৃত হয় ।
প্রশ্ন:- হরপ্পা সভ্যতার কালসীমা
লেখো ?
উত্তর:- হরপ্পা সভ্যতার কালসীমা হল
৩,০০০ – ১,৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ ।
প্রশ্ন:- সিন্ধু সভ্যতা আবিস্কারের
সঙ্গে জড়িত একজন প্রত্নতাত্ত্বিকের
নাম লেখো ?
উত্তর:- বাঙালি প্রত্নতত্ত্ববিদ
রাখালদাস বন্দোপাধ্যায় সিন্ধু সভ্যতা
আবিস্কার করেন ।
প্রশ্ন:- ভারতবর্ষের প্রাচীনতম বন্দর
কোনটি ?
উত্তর:- ভারতবর্ষেরর প্রাচীনতম
বন্দরের নাম গুজরাটের লোথাল ।
প্রশ্ন:- রাজস্থানের কোন অঞ্চলে
সিন্ধু সভ্যতার নিদর্শন পাওয়া গেছে ?
উত্তর:- রাজস্থানের কালিবঙ্গান
অঞ্চলে সিন্ধু সভ্যতার নিদর্শন পাওয়া
গেছে ।
প্রশ্ন:- কোন বন্দরের মাধ্যমে হরপ্পা-
সভ্যতার বৈদেশিক বাণিজ্য চলত ?
উত্তর:- লোথাল বন্দরের মাধ্যমে
হরপ্পা-সভ্যতার বৈদেশিক বাণিজ্য চলত
।
প্রশ্ন:- হরপ্পা-সভ্যতার লিপির নাম
কি ?
উত্তর:- হরপ্পা-সভ্যতার লিপির নাম
সিন্ধুলিপি ।
প্রশ্ন:- হরপ্পা সভ্যতা কোন সভ্যতার
সমসাময়িক ?
উত্তর:- হরপ্পা সভ্যতা মেসোপটেমিয়া
এবং সুমেরীয় সভ্যতার সমসাময়িক ।
প্রশ্ন:- হরপ্পা কোথায় অবস্থিত ?
উত্তর:- হরপ্পা পাকিস্তানের পাঞ্জাব
রাজ্যের মন্টগোমারি জেলায় অবস্থিত ।
প্রশ্ন:- প্রাচীন ভারতে কারা আর্য নামে
পরিচিত ?
উত্তর:- আর্যরা ছিল ভারতের বহিরগত
দীর্ঘকায় গৌরবর্ণ ও সুদর্শন এক
জাতি– যাদের আদি বাসস্থান ছিল মধ্য
এশিয়া অথবা রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চল
কিংবা ইউরোপ মহাদেশের অস্ট্রিয়া ,
হাঙ্গেরী অথবা চেকোস্লোভাকিয়ার
বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ।
প্রশ্ন:- আর্যরা প্রথম কবে ভারতে
আসে ?
উত্তর:- আনুমানিক ১,৫০০
খ্রিস্টপূর্বাব্দে আর্যরা প্রথম ভারতে
আসে।
প্রশ্ন:- আর্যরা প্রথম ভারতে কোথায়
বসতি স্থাপন করে ?
উত্তর:- উত্তর ভারতের সিন্ধু নদের
পাঁচটি উপনদী, সরস্বতী এবং উচ্চ গাঙ্গেয়
উপত্যকায় সপ্তসিন্ধু অঞ্চলে আর্যরা
প্রথম ভারতে বসতি স্থাপন করে ।
প্রশ্ন:- আর্যদের স্বর্ণমুদ্রার নাম কী ?
উত্তর:- আর্যদের স্বর্ণমুদ্রার নাম হল
নিষ্ক ।
প্রশ্ন:- আর্যদের প্রধান ধর্মগ্রন্থের
নাম কী ?
উত্তর:- আর্যদের প্রধান ধর্মগ্রন্থের
নাম বেদ ।
প্রশ্ন:- ভারতের প্রাচীনতম সাহিত্য
কোনটি ?
উত্তর:- ভারতের প্রাচীনতম সাহিত্য হল
বেদ ।
প্রশ্ন:- বিশ্বের দরবারে হরপ্পা
সভ্যতার প্রথম অবদানটির নাম লেখো ?
উত্তর:- বিশ্বের দরবারে হরপ্পা
সভ্যতার প্রথম অবদান হল উন্নত নগর
পরিকল্পনা ।
প্রশ্ন:- কোন সভ্যতা হরপ্পা সংস্কৃতির
পথিকৃত ছিল ?
উত্তর:- মেহেরগড় সভ্যতা হরপ্পা
সংস্কৃতির পথিকৃত ছিল।
প্রশ্ন:- মহেঞ্জোদরো কোথায়
অবস্থিত ?
উত্তর:- বর্তমান পাকিস্তানের সিন্ধু
প্রদেশের লারকানা জেলায় , সিন্ধু নদের
পশ্চিম তীরে মহেঞ্জোদরো অবস্থিত ।
প্রশ্ন:- মহেন-জো-দরো শব্দের অর্থ
কী ?
উত্তর:- মহেন-জো-দরো শব্দের অর্থ
হল মৃতের স্তূপ ।
প্রশ্ন:- প্রাচীন ভারতের দুটি নগরের নাম
লেখো ?
উত্তর:- প্রাচীন ভারতের দুটি নগরের নাম
হরপ্পা ও লোথাল ।
প্রশ্ন:- বেদের অপর নাম কী ?
উত্তর:- বেদের অপর নাম শ্রুতি ।
প্রশ্ন:- বৈদিকযুগের প্রাচীনতম গ্রন্থ
কোনটি ?
উত্তর:- বৈদিকযুগের প্রাচীনতম গ্রন্থ
নাম ঋকবেদ ।
প্রশ্ন:- ঋকবৈদিক যুগের প্রধান দেবতার
নাম কী ?
উত্তর:- ঋকবৈদিক যুগের প্রধান দেবতার
নাম অগ্নি ।
প্রশ্ন:- বেদের শেষ ভাগের নাম কী ?
উত্তর:- বেদের শেষ ভাগের নাম অথর্ব ।
প্রশ্ন:- বৈদিক সাহিত্যের কোন অংশকে
বেদান্ত বলা হয় ?
উত্তর:- উপনিষদ কে বৈদিক সাহিত্যের
বেদান্ত বলা হয় ।
প্রশ্ন:- বেদ কবে রচিত হয় ?
উত্তর:- খ্রিষ্টপূর্ব ১,৫০০ - ১০০০ অব্দের
মধ্যে বেদ রচনা করা হয় বলে অনুমান করা
হয়ে থাকে ।
প্রশ্ন:- বেদের কয়টি ভাগ আছে ও কী
কী ?
উত্তর:- বেদের চারটি ভাগ আছে - যথা
ঋক,সাম,যজু, ও অথর্ব ।
প্রশ্ন:- প্রত্যেক বেদের কয়টি অংশ ও
কী কী ?
উত্তর:- প্রত্যেক বেদের চারটি অংশ ,
যথা: সংহিতা , ব্রাহ্মণ, আরন্যক এবং
উপনিষদ বা বেদান্ত ।
প্রশ্ন:- কী ভাবে বেদ কথাটির উৎপত্তি
হয় ?
উত্তর:- বিদ শব্দ থেকে বেদ কথাটির
উৎপত্তি হয় , বিদ শব্দের অর্থ হল
জ্ঞান ।
প্রশ্ন:- গৃহপতি বা কুলপা কাকে বলা হত ?
উত্তর:- বৈদিক যুগের কোনো পরিবারের
কর্তাকে গৃহপতি বা কুলপা বলা হত ।
প্রশ্ন:- বৈদিক যুগের কয়েক জন বিদুষী
নারীর নাম করো ?
উত্তর:- বৈদিক যুগের কয়েক জন বিদুষী
নারীর নাম হল অন্ডালা, ঘোষ, মমতা,
লোপামুদ্রা প্রভৃতি ।
প্রশ্ন:- আর্যদের চতুরাশ্রমের প্রথম
আশ্রমের নাম কী ?
উত্তর:- আর্যদের চতুরাশ্রমের প্রথম
আশ্রমের নাম ব্রহ্মচর্য ।
প্রশ্ন:- আর্যদের চতুরাশ্রমের সর্বশেষ
আশ্রমের নাম কী ?
উত্তর:- আর্যদের চতুরাশ্রমের সর্বশেষ
আশ্রমের নাম সন্ন্যাসাশ্রম ।
প্রশ্ন:- বৈদিক যুগের প্রচলিত মুদ্রার
নাম কী ?
উত্তর:- বৈদিক যুগের প্রচলিত মুদ্রার
নাম ‘নিষ্ক’ ও ‘মনা’ ।
প্রশ্ন:- ঋকবৈদিক যুগের সমাজে কৃষক
ছাড়াও অপর কয়েকটি বৃত্তিজীবি মানুষের
নাম করো ?
উত্তর:- ঋকবৈদিক যুগের সমাজে কৃষক
ছাড়াও অপর কয়েকটি বৃত্তিজীবি মানুষের
নাম হল
সূত্রধর,চর্মকার,ছুতোর,তাঁতি,কুমোর,
প্রভৃতি ।
প্রশ্ন:- বৈদিক যুগে বিনিময়ের প্রধান
মাধ্যম কী ছিল ?
উত্তর:- বৈদিক যুগে বিনিময়ের প্রধান
মাধ্যম ছিল গোরু ।
প্রশ্ন:- আর্যদের বিনিময় প্রথার প্রধান
মাধ্যম কী ছিল ?
উত্তর:- আর্যদের বিনিময় প্রথার
প্রধান মাধ্যম ছিল গোরু ।
প্রশ্ন:- বৈদিক সভ্যতা কী ?
উত্তর:- বেদকে ভিত্তি করে যে সভ্যতা
গড়ে ওঠেছে তাই বৈদিক সভ্যতা ।
প্রশ্ন:- বৈদিক সভ্যতার স্রষ্টা কারা ?
উত্তর:- বৈদিক সভ্যতার স্রষ্টা হল
আর্যরা ।
প্রশ্ন:- ঋকবেদে বলি শব্দটি কী অর্থে
ব্যবহৃত হত ?
উত্তর:- ঋকবেদে বলি শব্দটি কর নেওয়া
অর্থে ব্যবহৃত হত ।
প্রশ্ন:- উপনিষদ কী ?
উত্তর:- উপনিষদ হল বেদের একটি
অন্যতম দার্শনিক বিভাগ ।
প্রশ্ন:- চতুর্বেদ ছাড়াও অপর একটি
বৈদিক সাহিত্যের নাম করো ?
উত্তর:- চতুর্বেদ ছাড়াও অপর একটি
বৈদিক সাহিত্যের নাম বেদাঙ্গ ।
প্রশ্ন:- বৈদিক যুগের দুটি জনসভার নাম
করো যারা রাজশক্তিকে নিয়ন্ত্রণ
করতে পারত ?
উত্তর:- সভা ও সমিতি -নামে দুটি জনসভা
রাজশক্তিকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারত ।
প্রশ্ন:- বৈদিক আর্যদের প্রধান ভাষা কী
ছিল ?
উত্তর:- বৈদিক আর্যদের প্রধান ভাষা
ছিল সংস্কৃত ।
প্রশ্ন:- দশরাজার যুদ্ধ কাহিনী কোথায়
লিপিবদ্ধ আছে ?
উত্তর:-দশরাজার যুদ্ধ কাহিনী ঋকবেদে
লিপিবদ্ধ আছে।

0 Comments
Thanks you ❤️